ভাইরাল

VIRAL: হিরো আলমকে গ্রেফতার করলো পুলিশ! কিন্তু কেনো?

জানা গিয়েছে গত সপ্তাহে বিকৃত গান করার জন্য পুলিশ হিরো আলমকে জেরা করার জন্য নিয়ে যায় দীর্ঘ ৮ ঘন্টা ধরে তাকে মানসিক হেনস্তা করিয়ে জেরা করা হয়। সেখানে তাকে বলানো হয় সে আর বিকৃত কোন ভিডিও বানাবেন না।

Hero Alom

চানাচুর বিক্রেতা থেকে হয়ে উঠেছেন হিরো আলম। অত্যন্ত সাধারণ পরিবারের এই ছেলে, রূপ, গুণ, দক্ষতা এসবের কোন কিছুই না থাকা সত্ত্বেও শুধু প্যাশনকে ভালোবেসে এগিয়ে এসেছেন হিরো আলম। তিনি একজন বাংলাদেশী মডেল অভিনেতা। হিরো আলমের আসল নাম হল আশরাফুল আলম। বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় অত্যন্ত গরিব পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ । সংসার চালাতে না পড়ার কারণে আলমের বাবা আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তির কাছে তাকে দত্তক দেন। প্রথম জীবনে হিরো আলম চানাচুর বিক্রি করে টাকা উপার্জন করতেন।

 অত্যন্ত গরিব পরিবার এবং সংসার চালানোর কষ্টকর ছিল বলে হিরো আলম তার পড়াশোনা ক্লাস 7 অব্দি করতে পেরেছিল। স্কুল ছেড়ে তিনি সিডি ব্যবসা শুরু করেন এতে সাফল্য না পাওয়ায় তিনি কেবল টিভির ব্যবসা শুরু করে। প্রথম থেকেই কেবল টিভির মিউজিক ভিডিও গুলির ওপর আকৃষ্ট ছিল। তারপর একদিন নিজেকে ও কিছু গ্রামের লোককে নিয়ে ভিডিও বানিয়ে কেবল টিভির চ্যানেলে পোস্ট করেন। এখান থেকে কেউ একজন এই ভিডিওটি ইউটিউবে পোস্ট করে দেয় এরপরে হিরো আলমকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

হিরো আলম সাধারণত ইউটিউবে বিকৃত ভিডিও ও বেসুরের গলায় পুরনো নতুন বিভিন্ন গানের রিমেক করতে দেখা যায়। এই বিকৃত গানগুলি প্রত্যেকের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের গান কে বিকৃত করতে দেখা গিয়েছে তাকে এর ফলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এএফপি সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গিয়েছে গত সপ্তাহে বিকৃত গান করার জন্য পুলিশ তাকে জেরা করার জন্য নিয়ে যায় দীর্ঘ ৮ ঘন্টা ধরে তাকে মানসিক হেনস্তা করিয়ে জেরা করা হয়। সেখানে তাকে বলানো হয় সে আর বিকৃত কোন ভিডিও বানাবেন না।

ভারত ও বাংলাদেশ তার ভিডিওকে খুব পরিমাণ ট্রোল করতে পছন্দ করে কারণ তার এই সমস্ত আজব উল্টোপাল্টা কাজের জন্য। কিছুদিন আগে আমাদের প্রিয় গায়ক KK – র গানকে নিজের গলায় দেওয়ার চেষ্টা করেছে হিরো আলম। 

@newswap01

এর আগেও হিরো আলম ঋত্বিক রোশনের জিন্দেগি দো পল কি গেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছেন। সেখানে প্রায় 1 লাখেরও বেশি ভিউ রয়েছে। রবীন্দ্র সংগীত ও নজরুল সংগীত কেউ বিকৃত করেছেন হিরো আলম। 

ঢাকা পুলিশের প্রধান গোয়েন্দা হারুন-উল রশিদ জানিয়েছেন হিরো আলম এই সমস্ত কাজকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থী এবং পরবর্তীকালে এই ধরনের কাজ তিনি করবেন না ভালো ভিডিও পোস্ট করবেন বলে জানিয়েছেন। হিরো আলম জানাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার জন্যই তিনি এই ধরনের ভিডিও করে থাকতেন কিন্তু এবার থেকে তিনি সম্পূর্ণ সামাজিক ভিডিও বানাবেন।

এই ধরনের আরো বিভিন্ন অজানা তথ্য এবং সতর্ক বার্তা সবার আগে পাওয়ার জন্য অবশ্যই আমাদের নিউজওয়াপ সাইটটিকে ফলো করবেন এবং নোটিফিকেশনটি অবশ্যই Allow করে দেবেন।

Related Articles

Back to top button