খবর

টমেটো ফ্লু ভারতবর্ষের নতুন বিপদ হয়ে উঠলো

ভারতের কেরালা, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক অঞ্চলে দ্রুত হাড়ে ছড়াচ্ছে টমেটো ফ্লু ভাইরাস। কেরালায় মে মাসে 80 জনেরও বেশি আক্রান্ত ধরা পড়েছে এই ফ্লু ভাইরাসে।

Tomato Flu
Tomato Flu

টমেটো ফ্লু: করোনার দাপটে আমরা ভীষণ পরিমাণ ভুক্তভোগী হয়েছিলাম,করণার বিভিন্ন ভেরিয়েন্ট নিয়েও আমাদের দুশ্চিন্তার শেষ ছিল না। এরপর দিনের পর দিন গোটা দু’বছর বিভিন্ন ভেরিয়েন্টের ভাইরাস নিয়ে আমরা সতর্ক এবং দুশ্চিন্তায় ছিলাম। প্রায় দু বছর পর আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করছি এবং এরই মধ্যে হানা দিয়েছে নতুন এক ভাইরাস সেটি হল ।

ভারতের কেরালা, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক অঞ্চলে দ্রুত হাড়ে ছড়াচ্ছে টমেটো ফ্লু ভাইরাস। কেরালায় মে মাসে 80 জনেরও বেশি আক্রান্ত ধরা পড়েছে এই ফ্লু ভাইরাসে। এরপরই প্রতিবেশী রাজ্য গুলোকে সতর্ক করা হয়। এই ভাইরাসটি আক্রান্ত হলে রোগীকে বোঝা যায় না কারণ এটি সাধারণ কিছু লক্ষণ বহন করে। এই সাধারণ লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করে আমরা আপাত দৃষ্টিতে বুঝতে পারব না যে টমেটো ফ্লু-তে আক্রান্ত। এই ভাইরাস আক্রমণের লক্ষণ সাধারণ মুখের ঘা, পায়ের চুলকানি বা ঘা, লাল রঙের ফুসকুড়ি, জ্বালা, ডিহাইড্রেশন, জ্বর। শিশুদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস আক্রমণের সংখ্যা বেশি।

একদিকে মাঙ্কিপক্সের দাপট চলছে অন্যদিকে কেরালায় কোল্লামে মে মাসের দিকে পাঁচ বছরের শিশুর টমেটো ফ্লু ধরা পড়ে। এই টমেটো ফ্লু দ্রুত হাড়ের ছড়াচ্ছে। বাচ্চাদের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। দ্য ল্যানসেট এর মতে এই টমেটো ফ্লু কে একদমই হালকাভাবে নেওয়া যাবে না এই ফ্লু আটকানোর জন্য সতর্কবলি চালু করার জন্য বলা হয়েছে। সূত্র থেকে জানা গিয়েছে কেরালার আঁচল, আরিয়ানকাভু এবং নেদুভাথুর অঞ্চলে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

এই রোগের নাম টমেটো ফ্লু কেনো রাখা হলো?

এই ভাইরাসকে টমেটোর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে কারণ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শরীরে লাল লাল ফুরসুড়ির মত বের হয়। যেটি রং অনেকটা লাল টকটকে টমেটোর মত সেই কারণেই এই ভাইরাসটির নাম হয়েছে টমেটো ফ্লু। সঙ্গে জ্বর,ডিহাইড্রেশন মুখে ঘা ,পায়ের চুলকানি এই সমস্ত উপসর্গ দেখা দেয়।

@newswap01

কিভাবে বুঝবেন আপনি টমেটো ফ্লু – তে আক্রান্ত?

এই টমেটো ফ্লু – র সাধারণ লক্ষণ হল
জ্বর, সঙ্গে গায়ে লাল লাল ফুসুরি বের হওয়া। ডিহাইড্রেশন, মুখে ঘা, পায়ে চুলকানি। শরীরের নানা জায়গায় ব্যথা অনুভব। অতিরিক্ত জ্বর।

টমেটো ফ্লু ধরা পড়লে কি করবেন?


এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বুঝলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। আপনার শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখুন এবং গায়ে চুলকোতে আটকান। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন রকমের টেস্ট করুন এবং চিকিৎসার কথা মতন চলুন।

এই ধরনের আরো বিভিন্ন অজানা তথ্য এবং সতর্ক বার্তা সবার আগে পাওয়ার জন্য অবশ্যই আমাদের নিউজওয়াপ সাইটটিকে ফলো করবেন এবং নোটিফিকেশনটি অবশ্যই Allow করে দেবেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button